২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৮শে সফর, ১৪৪৪ হিজরি
www.motherlandnewsbd.com

জাতিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে নৌকায় ভোট দিন – ফারুক চৌধুরী

মাহবুব আলম জুয়েল:( সম্পাদক)
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও  সাবেক  শিল্প  প্রতিমন্ত্রী  আলহাজ্ব  ওমর  ফারুক  চৌধুরী বলেন আওয়ামী লীগ মানে উন্নয়ন। আওয়ামী লীগ  জাতির  বিবেক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে, বাঙালি জাতিকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে,  তানোর  গোদাগাড়ীর  মানুষের সার্বিক উন্নয়ন করতে এবং ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে আবারো নৌকা মার্কায় ভোট দিন। আওয়ামী লীগ মানে শিক্ষা, যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, জ্বালানী সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারা। উত্তরবঙ্গ থেকে মঙ্গার চিত্র মুছে যাওয়া। খুনি সন্ত্রাসী জঙ্গীবাদ লুটেরা মুক্ত বাংলাদেশ। যা আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। আর বিএনপি জামায়াত জোট মানে খুন, জঙ্গীবাদ সন্ত্রাস, লুটপাট, দুর্ভিক্ষ আর দুর্বিষহ মানুষের জীবন। বাংলা ভাই জামাত শিবির ক্যাডারদের খুন জখমের নারকীয় উল্লাস। এতিমের টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার, জঙ্গীবাদ ছাড়া অন্যকিছু করতে পারেনা। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ মানে উন্নয়ন। জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন। এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হলে নৌকা মার্কায় রায় দিতে হবে। আওয়ামী লীগের পাশে থেকে  নৌকার  বিজয় ঘটাতে হবে।

তিনি বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ট্র বাঙ্গালী জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর নেতৃত্বে আমরা একটা স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছি। এর জন্য জীবন দিতে হয়েছে ত্রিশলাখ মানুষকে দুলাখ মা বোনের সম্ভ্রম। চার জাতীয় নেতাকে নির্মম ভাবে জীবন দিতে হয়েছে। আমাদের একটাই চাওয়া বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা দারিদ্র শোষণমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা। আমারা জীবন দিয়ে হলেও সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাব। আমি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করিনা। কারো কাছে মাথা নত করিনা।

ফারুক চৌধুরী বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। জঙ্গীবাদ সন্ত্রাস ইসলাম অনুমোদন করেনা। সব ধর্মেই শান্তির কথা বলা আছে। মহল বিশেষ ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে আমাদের বিপথগামী করার চেষ্টা করছে। বিশ্বে শান্তির ধর্ম ইসলামকে কুলষিত করার অপচেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে অভিভাবক, মসজিদের ইমাম আলেম ওলামায়ে কেরামদের ভুমিকা রাখতে হবে। যাতে ছেলেরা ভুল করে জঙ্গীবাদের সাথে জড়িয়ে না পড়ে। তাদের কাছে ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা তুলে ধরতে হবে। মাকদাশক্তের ব্যাপারেও সজাগ থাকতে হবে।
তিনি বলেন, রাস্তাঘাট নষ্ট হয়েছে রাস্তাঘাটের মেরামত করা হবে। এখন মেয়েদের বৃত্তির টাকাও মায়েদের মোবাইলে চলে যাচ্ছে। মোবাইল প্রসঙ্গে বলেন, বিএনপির আমলে একটি মাত্র মোবাইল কোম্পানী ছিল। তাও আবার তাদের মন্ত্রীর মালিকানাধীন। তখন একটা মোবাইলের দাম ছিল লাখ টাকা। আর এখন অনেক মোবাইল কোম্পানী হয়েছে। এক হাজার টাকাতেও মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। বিএনপি আমলে মোবাইলের কলরেট ছিল মিনিটে দশ টাকা। আর এখন পচিশ পয়সা। এতে করে বোঝা যায় বিএনপির উন্নয়ন।

তাই সকল ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখে আমার মার্কা নৌকায় ভোট দেবেন।

প্রকাশিত: মাদারল্যান্ড ডেস্ক

Share Button


     এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ