২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৮শে সফর, ১৪৪৪ হিজরি
www.motherlandnewsbd.com

হাত জোড় করা ছবি দিয়ে এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার।

মাদারল্যান্ড ডেস্ক :

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মন্ত্রীসভার সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বৈঠকের ছবি দিয়ে এবার এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, শহীদ পরিবারের সন্তান, সিআইপি, রাজশাহী চেম্বর অব কমার্সের সাবেক সভাপতি, রাজশাহীর সর্বোচ্চ স্বচ্ছ আয়করদাতা, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও আদর্শিক নেতৃত্ব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী। অথচ আওয়ামী লীগের সুবিধাবাদী, বিপদগামী, টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলবাজখ্যাত নব্য কোটিপতি কতিপয় নেতা তাকে কখানো বলেছেন রাজাকারপুত্র, সাবেক ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা আবার কখানো ফ্রিডম পার্টিও সংগঠক। তবে তারা যেই যাই বলুক কেউ তা প্রমাণ দিতে পারেনি। এমপি ফারুক তার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যাচারের বিচার চেয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি রাজশাহী জেলা কমিটির সকল সদস্যদের নিয়ে বৈঠক আয়োজন করেন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে।

সূত্র জানায়, চলতি বছরের ৮ নভেম্বর শুক্রবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত। বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ অনেক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও মন্ত্রীসভার সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে এমপি ফারুক চৌধূরী দুই হাত জোড় করে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে অনুরোধ জানান,অনেক হলো এবার আমাকে মুক্তি দেন। আমাকে কমিটি থেকে বাদ দিয়ে দেন অথবা জেলা কমিটি ভেঙ্গে দেন। এই কমিটির চাঁদাবাজ-দখলবাজ-টেন্ডারবাজ-দূর্নীতিবাজ ও জামায়াত-বিএনপির পৃষ্ঠপোষক নব্য কোটিপতি কতিপয় নেতারা যেভাবে আমাকে আমার জন্মদাতা শহীদ পিতাকে নিয়ে চরম মিথ্যাচার ও নোংড়ামী করছে সেসব আমি আর সহ্য করতে পারছি না। আমি আমার শহীদ পিতার সম্মান রক্ষা করতে চাই। এই দলব্যবসায়ীদের অপপ্রচার থেকে মুক্ত থাকতে চাই। দলের এসব কুলাঙ্গারদের সঙ্গে একসাথে পথা চলা, রাজনীতি করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি দলের কোনো পদে না থেকেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে তার একজন সৈনিক হিসেবে কাজ করতে চাই। অথচ এমপি ফারুক চৌধূরীর এই আবেদনের ছবি দিয়ে ফেসবুকে ভাইরাল করা হয়েছে তিনি কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছেন। কিন্তু তিনি কি অপরাধে কার কাছে ক্ষমা চাইবেন এটা আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা,কর্মী-সমর্থক ও দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রশ্ন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত,এমপি ফারুক চৌধূরী কেন্দ্রীয় নেতৃবুন্দের কাছে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের বিচার চাইলেন, অথচ কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকের ছবি দিয়েই তারা তার বিরুদ্ধে ফের মিথ্যাচার শুরু করেছে এটা কারা করছে, তাদের উদ্দেশ্যেই বা কি আর খুটির জোর কোথায়, কোন সাহসে তারা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কেন্দ্রীয় নেতাদের বৈঠকের ছবি দিয়ে মিথ্যাচার করছে, এর বিচার কে করবে ? প্রশ্ন উঠেছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় একটি নিরাপদ জোন, এছাড়াও দলের একটা নিয়ম-শৃঋলা রয়েছে, আছে চেইন অব কমান্ড। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও মন্ত্রীসভার সদস্যদের নিয়ে বৈঠকের ছবি দিয়ে যারা এমন মিথ্যাচার করতে পারে তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য যেকোনো সময় যেকোনো কাজ করবেন এটা স্বাভাবিক। তাই এদের কাছে থেকে ভাল কিছু আশা করা যায় না। তারা বলেন, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বৈঠকের ছবি দিয়ে মিথ্যাচার এটা শুধু এমপি ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধেই মিথ্যাচার নয়, এটা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, দলের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধেই মিথ্যাচার করা। তাই এমন জঘন্যতম মিথ্যাচারের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ, নইলে দলের সাংগঠনিক চেইন অব কমান্ড ক্ষদিগ্রস্ত হবে, তাই দলের স্বার্থে দলের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ ও নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

Share Button


     এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ